ঝিনাইগাতীতে কেয়ারটেকারকে ফাঁসাতে পরিকল্পিত লুটপাটের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর

 

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বাড়ির কেয়ারটেকারকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছা: হাজেরা ইয়াছমিন কাজল নামে এক নারি। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাজেরা ইয়াছমিন কাজল লিখিত বক্তব্য জানান, তিনি দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে উপজেলার রাংটিয়া মৌজায় শেরপুরের শিল্পপতি হযরত আলীর প্রায় সাত একর সম্পত্তি,বাসাবাড়ি, বাগান ও আবাদি জমি সততার সঙ্গে দেখাশোনা করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার কিছু অসাধু ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো এবং মানহানি করার উদ্দেশ্যে গত ১১ এপ্রিল গভীর রাতে তার অনুপস্থিতিতে বাড়ির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা একটি কাঠের ওয়ারড্রোব, ওয়াল শোকেস, সোফাসেট, গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার, থালা-বাসন, বক্স, সেমি বক্স, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এছাড়া দুর্বৃত্তরা একটি টিউবওয়েল ও পানির মোটর খুলে নেয় এবং বাগানের বৈঠকখানা ও আংশিক বসতঘর ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ৮ লাখ ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
হাজেরা ইয়াছমিন কাজল বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় তারা পূর্ব থেকেই তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল এবং সুযোগ পেয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় তিনি শেরপুর আদালতে
আবুল হোসেন চৌকিদার, কুরবান আলী, আনোয়ার হোসেন, ইসমাইল হোসেন, সাদ্দাম হোসেন এবং আব্দুল হক সহ ৬জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে একটি সি.আর মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং: ১৩৫/২৬)।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে দ্রুত এই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা হয়।” সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এ রকম আরো সংবাদ

আমাদের সাথে থাকুন

0FansLike
0SubscribersSubscribe

সর্বশেষ সংবাদ