
খুলনা সংবাদদাতা
খুলনার তেরখাদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এই আলোচনায় নতুন করে উঠে এসেছে গ্রিস প্রবাসী সমাজসেবক খাকী ইকবাল হোসেনের নাম।
উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় তার একটি ইতিবাচক পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ও সামাজিক সম্পৃক্ততার দিক থেকে ইকবাল হোসেনকে ভিন্নভাবে দেখছেন অনেকে। কিছু ভোটার মনে করছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ব্যক্তির সততা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ—এই বিবেচনায় তিনি আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন।
তবে নির্বাচন ঘিরে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় মাঠের চিত্র পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে, এবং কে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন, তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত নানা সমীকরণের ওপর।
ইকবাল হোসেনের ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগী বলেন, “তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য কাজ করছেন। জনগণের প্রত্যাশা থাকলে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবেন।”
নিজের অবস্থান সম্পর্কে ইকবাল হোসেন বলেন, “মানবিক ও সামাজিক কাজের সঙ্গে আমি অতীতেও ছিলাম, এখনো আছি। এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে অবকাঠামো উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কাজ করতে চান।
এদিকে, তেরখাদা উপজেলায় আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উন্নয়ন, সুশাসন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যাশা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সেই প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের যোগ্যতা ও কর্মপরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।