
পঞ্চগড় জেলা সংবাদদাতা
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৩১ ) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে বুধবার (১ এপ্রিল ) বোদা থানায় ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টা মামলার একটি এজাহার দেন। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ( ২৮ মার্চ) দুপুর ১২:৩০ সময় আমি আমার শিশু কন্যাকে বাড়ীতে রেখে অন্যের বাড়ীতে কাজ করতে গেলে আমার কন্যা আমার বাড়ীতে খেলাধুলা করার সময় জাহাঙ্গীর আলম তার বাড়ী থেকে বের হয়ে আমার বাড়ীতে এসে আমার শিশু কন্যাকে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে আমার বসত বাড়ীর ১৫০ মিটার পশ্চিম পার্শ্বে জনৈক মোঃ রহিম এর ভুট্টা ক্ষেতের ভিতরে নিয়ে গিয়ে আমার কন্যার পড়নের জামা ও পায়জামা খুলিয়ে ভুট্টা ক্ষেতে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এতে আমার শিশু কন্যা ভয়ে ভীত হয়ে কান্না ও চিৎকার করিলে জাহাঙ্গীর আলম বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখে বলেন, কান্না করবা না এবং এই বিষয়ে তোমার বাড়ীর কাউকে জানাইলে তোমাকে জানে মেরে ফেলবো। ঐ সময় আমার কন্যার কান্নার আওয়াজ সাক্ষীগণ সহ আশপাশের মানুষ জন শুনিতে পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে অর্থাৎ ভুট্টাক্ষেতে আসিলে জাহাঙ্গীর আলম আমার কন্যাকে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল হইতে পালায় চলে যায় ।
এতে আসামী আমার শিশু কন্যাকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করায় আমার কন্যা কান্না করে বাড়ীতে আসিলে আমার স্ত্রী আমার কন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং আমার শিশু কন্যা কে কিছু সময় পর আমার স্ত্রীকে উপরোক্ত ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
তৎপর উক্ত ঘটনা সম্পর্কে আর স্ত্রী আমাকে জানাইলে আমি আমার পরিবারের লোকজন ও সাক্ষীগণকে সহ স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনকে নিয়ে বসিলে আমার শিশু কন্যা সাক্ষীগণ সহ আরো বহু লোকজনের সম্মুখ্যে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করি ।তৎপর সাক্ষীগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিষয় সম্পর্কে আমাকে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
আসামি জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার দিন থেকে পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ সুয়েল রানা বলেন, শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পেয়েছি অভিযোগ কারির বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
