
রুকন উদ্দিন (কেন্দুয়া-নেত্রকোণা)
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে জাল সনদ কেলেঙ্কারির অভিযোগে এক কেয়ারটেকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন, নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের এক নোটিশের মাধ্যমে জানা যায়, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে পরিচালিত “মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়)” প্রকল্পের আওতায় কেন্দুয়া উপজেলার দুই শিক্ষকের সনদ যাচাই করতে গিয়ে তা জাল হিসেবে প্রমাণিত হয়। অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন— নয়াপাড়া জামে মসজিদের সহজ কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক মো. পাবেল মিয়া এবং ভরাপাড়া জামে মসজিদের শিক্ষক মো. জাকারিয়া।
তদন্তে উঠে আসে, উক্ত জাল সনদ দুটির সাথে সংশ্লিষ্ট হাতের লেখার সঙ্গে প্রকল্পের সাধারণ কেয়ারটেকার মো. আব্দুল কাইয়ুমের হাতের লেখার যথেষ্ট মিল রয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ জাল সনদ চক্রের সঙ্গে কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুমের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
এ প্রেক্ষিতে গত ৯ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন, নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক স্বাক্ষরিত এক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
এ বিষয়ে জানা যায়, অভিযোগের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ, পাশাপাশি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তদন্ত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়টি জানতে কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কল রিসিভ করেও কিছু না বলে কল কেটে দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সহ চাকরি থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন।