
এস কে আলীম,কপিলমুনি খুলনা।
কপিলমুনিতে মজুদকৃত ৪’ শ লিটার পেট্রোল ও অকটেন জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২ টায় কপিলমুনি কলেজ মোড়ে খাঁন এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে এই জ্বালানী তেল জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মনিরুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে খাঁন এন্টাপ্রাইজে তল্লাসী চালিয়ে মজুদকৃত জ্বালানী তেল ভর্তি ২ টি ড্রাম জব্দ করা হয়। যার ১ টি ড্রামে ২’শ লিটার পেট্রোল এবং আর একটিতে ২’শ লিটার অকটেনে পূর্ণ ছিল।
জ্বালানী মজুদ রাখার অপরাধে খাঁন এন্টার প্রাইজের স্বত্বধিকারী খাঁন দেলোয়ার হোসেন কে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলে রাব্বী ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ১ ড্রাম পেট্রোল বাইকারদের নিকট লিটার প্রতি ১৩০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দরে বিক্রি করায় বাইকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পুলিশ ও বাইক চালকরা জানান, জ্বালানী তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এ সব অসাধু সাব ডিলাররা গোপনে জ্বালানী তেল চড়াদামে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এর আগে গত ১১ মার্চ লিটার প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির অপরাধে কাশিমনগরের জ্বালানী তেল ব্যবসায়ী ধনঞ্জয় সাধু নিকট থেকে ভ্রাম্যমান আদালত ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
এলাকার কৃষক ও মোটর বাইকাররা জানান,কপিলমুনিতে জ্বালানী তেলের একটা শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। এই সিন্ডিকেট কৃত্রিম জ্বালানী সংকট সৃষ্টি করে কৃতাদের কাছ থেকে অগ্নিমূল্যে জ্বালানী তেল বিক্রি করে ব্যপক লাভবান হচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় জ্বালানী তেল ব্যাবসায়ী কনক সাহা,সংকর সাধু,সজিব সাধু ও আগড়ঘাটার আমজাদ এবং আবুল জ্বালানী মজুদ রেখে গোপনে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছে।