মোরেলগঞ্জে (অবঃ) সেনা সদস্য’র পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন মো. মিজানুর রহমানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে জিউধরা ইউনিয়নে লক্ষীখালি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায়। আহতকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগে জানাগেছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. মিজানুর রহমানের সাথে দীর্ঘ বছর ধরে অবৈধভাবে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের সাথে সাড়ে ৪ বিঘার একটি মৎস্য ঘের নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
গত ২৭ ফেব্রæয়ারি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন মো. মিজানুর রহমান বাদি হয়ে একই ইউনিয়নের পাশখালী গ্রামের ইব্রাহিম জোমাদারকে বিবাদী করে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগ দায়ের হওয়ায় ইব্রাহিম জোমাদ্দার ক্ষিপ্ত হয়। পরবর্তীতে থানা থেকে লক্ষিখালী ফাঁড়ি ইনর্চাজ উভয় পক্ষকে ডেকে বসা হলে। ইব্রাহিম জোমাদ্দার কোন কাগজপত্র না দেখাতে পারেনি। ইব্রাহিম জোমাদ্দারের নেতৃত্বে মহিউদ্দিন মহারাজ, সুলতান হাওলাদার সহ ৪/৫ জনের একটি দল মো. মিজানুর রহমানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এ হামলায় আহতরা হলেন, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন মো. মিজানুর রহমান (৪২), তার পিতা: ইসমাইল হোসেন (৭৫), ভাই শহিদুল ইসলাম (৩৫)। এর মধ্যে গুরুত্বর আহত মিজানুর রহমানকে মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বাকি আহতদেরকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর পূর্বে গত ১০ জানুয়ারি ইসমাইল হোসেন, ভাই শহিদুল ইসলামকে মারপিট করে মৎস্য ঘেরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের ছোট ভাই মজিবর জোমাদ্দার, সোলায়মান জোমাদ্দারের ছেলে সানাউল্লাহ বলেন, শালিশী চলাকালিন সময়ে উভয় পক্ষে আহত হয়েছে। মহিউদ্দিন মহারাজ, সুলতান হাওলাদার গুরুত্বর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনর্চাজ মো. রাকিবুল হাসান বলেন, জিউধরা ইউনিয়নের ঘটনাটি শুনেছি। তবে, আহতের পরিবার থেকে অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ রকম আরো সংবাদ

আমাদের সাথে থাকুন

0FansLike
0SubscribersSubscribe

সর্বশেষ সংবাদ