
মো: রফিকুল ইসলাম,নড়াইল।
নড়াইলে কালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) পুলিশ পরিদর্শক মোঃ হাসানুল কবিরের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করেছেন,তাঁর স্ত্রী সাদিয়া কানিজ ছিদ্দিকা বৃষ্টি।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ হাসানুল কবির বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর গ্রামের কাসেম আলীর ছেলে।
রবিবার সকালে নড়াইল জেলার আমলী আদালতে ওই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী মোছাঃ সাদিয়া কানিজ সিদ্দিকা বৃষ্টি মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই (যশোর) কে নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, ২০০৮ সালে সামাজিক ভাবে বাদী সাদিয়া কানিজ ছিদ্দিকা বৃষ্টির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মোঃ হাসানুল কবির।
ইতিমধ্যে তাঁদের সংসারে ফারহাত তাবাচ্চুম হিয়া (১৪) ও শবনম তাবাচ্ছুম নিহা (৭) নামের দু’টি সন্তানের জন্ম হয়। তাঁদের সংসার চলছিলো বেশ সুখে-সাচ্ছন্দ্যে। একপর্যায়ে র্যাবে বদলী হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
এরপর থেকে বাদী (স্ত্রী) ও তাঁর সন্তানদের ঠিকমত খোঁজ খবর নেন না এবং বিভিন্ন সময়ে বাদীকে (স্ত্রী বৃষ্টি) শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করেন। র্যাবে কর্মরত থাকাকালে জেসমিন ইসলাম জেমী নামের এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাঁকে (স্ত্রী) বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। প্রায় ছয় মাস আগে প্রাইভেটকার কেনার অজুহাতে ২৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
এ বিষয়ে বাদী সাদিয়া কানিজ ছিদ্দিকা বৃষ্টির ব্যাবহারিত মোবাইল ফোনে (০১৭২১২১২৫৯২) একাধিক বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ ব্যাপারে কালিয়া থানার ওসি তদন্ত মোঃ হাসানুল কবিরের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি মামলায় উল্লেখিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,বাদী আমার নিকট থেকে কৌশলে প্রায় কোটি টাকার সম্পত্তি লিখে নিয়েছে। তদন্ত আসলে আমি জবাব দিতে প্রস্তুত।
পরকিয়ার ব্যাপারে যা বলেছে তা মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।