ছাত্রজনতার ওপর হামলার নেতৃত্বদানকারী সেই চেয়ারম্যান হাবীবুর রহমানের অনিয়ম,দুর্নীতি

মো: রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ

 

নড়াইল সদর উপজেলার ৩নং চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাবীবুর রহমানের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ এনছেন ইউপি সদস্যরা।

এ বিষয়ে ওই পরিষদের ১১ জন সদস্য দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি করে,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ উল্লেখ করেন,মোঃ হাবীবুর রহমান গত বছর নড়াইলে ছাত্রজনতার উপর হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

আওয়ামীলীগের পেশি শক্তি খাঁটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ট ইউপি সদস্যদের গুরুত্ব না দিয়ে বিধি লংঘন করে,ইচ্ছামত পরিষদের সকল কার্যক্রম পরিচালিত করছেন। রেজুলেশন পূর্ণাঙ্গ না লিখে জোর পূর্বক হাজিরা স্বাক্ষর নেওয়া৷  ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের উন্নয়ন খাতের ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা দিয়ে অফিসের ল্যাপটপ,চেয়ার,টেবিল,
প্রিন্টার নতুন ক্রয় না করিয়া পুরাতন জিনিসপত্র মেরামত করিয়া ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন সৈরাচার চেয়ারম্যান,হাবীবুর রহমান।

এ ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে মহিলা সদস্যদের সভাপতি করলেও তাদের ব্লাংচেক বহিতে ও রেজুলেশনে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ওই চেকের টাকা নিজে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। মাসিক সভা ও গ্রাম আদালতসহ অন্যান্য মিটিং ডাকেন না।রাজনৈতিক কারনে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায়  সেবা বঞ্চিত হচ্ছে অসহায় সাধারণ মানুষ।

নিজের বাড়ীর সামনের পুরাতন রাস্তাকে নতুন প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং চালিতাতলা ও ফেদী হাট-বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা কাজ না করে আত্মসাৎ করেছেন এবং দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে সদস্যদের না জানিয়ে আদায়কৃত ট্যাক্স,
ট্রেড লাইসেন্স,জন্ম নিবন্ধন ও অন্যান্য রাজস্ব আদায়ের টাকা তিনি নিজেই খরচ করেছেন এবং সদস্যদের সম্মানী ভাতার অংশও প্রদান করেননি।

এমতাবস্থায় দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণ দবি করেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা। এ বিষয়ে চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)
চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ এনেছে সে গুলো আমি জানি না।

আমি সকল ইউপি সদস্যদের দাবিদাওয়া মেনে নিয়েছি। উন্নয়ন সহায়তার কাজের ১২ লাখ টাকা দাবি করেছেন আমি তাদের সব টাকা দিয়ে দিয়েছি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি,বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ রকম আরো সংবাদ

আমাদের সাথে থাকুন

0FansLike
0SubscribersSubscribe

সর্বশেষ সংবাদ