বাগাতিপাড়ায় প্রকল্পের কার্যক্রম দেখতে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল

ফজলুর রহমান,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

 

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় সিটিএম প্রকল্প-পিইআই পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বিশ্ব ব্যাংক ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল।

আজ বেলা ৯ টা থেকে ৫ পর্যন্ত বাগাতিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত ক্লাব, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, গরু ছাগল খামারী ও হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন কাজের সাথে সম্পৃক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে উপকারভোগীদের সাথে মত বিনিময় ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বিশ্ব ব্যাংকের টাস্ক টিম লিডার জেসমিন রাজভান্ডারী ও বিশ্ব ব্যাংকের সোশ্যাল প্রোটেকশন স্পেশালিস্ট অভিরুপ সরকার।

এছাড়াও কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক এম এম মাহমুদুল্লাহ, উপ-পরিচালক(প্রতিবন্ধী ভাতা শাখা)নুরুল হক মিয়া, নাটোর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, বাগাতিপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এনজিও-র ফোকাল এজিএম হানিফ মিয়া,টিম লিডার, আব্দুর রব পাটোয়ারী বাগাতিপাড়া প্রকল্প অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার জীবন চন্দ্র বর্মন।

উল্লেখ এর আগে বাগাতিপাড়া সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ভাতাভোগী মানুষদের নিয়ে জীবন দক্ষতা, আর্থিক সাক্ষরতা, ব্যবসায়িক দক্ষতা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি গ্রুপে ৩০জন করে পাঁচদিনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়,সেই কর্মশালা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নের জন্য ৩৯৭ জন প্রতিবন্ধী ও ৫৯০ বিধবা নারীসহ মোট ৯৮৭ জনকে আর্থিক অনুদানের চেক দেয়া হয়। বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় তাদেরকে জনপ্রতি ৪৫ হাজার টাকা করে মোট ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে নাটোর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের ৬ টি জেলার ৬ টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চলমান হয়েছে,তারই ধারাবাহিকতায় বাগাতিপাড়াতে আমরা জনপ্রিয় ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করছি, যারা উপকার ভোগী তাদের প্রশিক্ষণে মাধ্যমে গরু ছাগল পালন অথবা ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য বলা ছিলো আমি সহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সদস্য কয়েকটি জায়গায় গিয়েছি তাদের কার্যক্রম পরিদর্শনে আমরা খুশি ও আশাবাদী আগামীতে এরা আরো ভালো করবে এবং এমন সিটিএম ও পিআই পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম বৃদ্ধির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মান উন্নয়ন চলমান রাখা সম্ভব।

রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক)বাগাতিপাড়া শাখা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার জীবন চন্দ্র বর্মন সিটিএম প্রকল্প-পিইআই পাইলট সার্ভিস কার্যক্রম এককালীন অনুদান প্রদান কর্মশালা ও প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, ৬টি উপজেলায় দশ হাজার সুবিধাভোগীদের আর্থিক সাক্ষরতা, ব্যবসায়িক দক্ষতা ও জীবন দক্ষতা উন্নত করণ,আত্মবিশ্বাস, আত্ম-সম্মান ও সক্ষমতা শক্তিশালী করণের মাধ্যমে স্থায়িত্বশীল জীবিকায়ন তৈরী করা,সম্পদ সৃষ্টি ও বৃদ্ধির মাধ্যমে দশ হাজার চরম দরিদ্র, ঝুকিপূর্ণ নারী পুরুষ ও তাদের পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সুবিধার্থে সুযোগ সৃষ্টি করা,ব্যবস্থাপনামূলক/পরিচালনামূলক দক্ষতা ও কার্যকারিতার উন্নয়ন করতে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা একীভূত করে প্রোডাক্টিভ ইকোনোমিক ইনক্লুশন (পিইআই) সুবিধাভোগী ও তাদের পরিবারের জন্য একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে রূপান্তর করা।

উপকারভোগী ব্যাক্তিরা আগত বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, উপজেলা সমাজসেবা কার্যলয় ও রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক)বাগাতিপাড়া শাখার প্রতি কৃতজ্ঞতা সহকারে ধন্যবাদ জানান।

এ রকম আরো সংবাদ

আমাদের সাথে থাকুন

0FansLike
0SubscribersSubscribe

সর্বশেষ সংবাদ