
মোঃ তুষার, দাগনভুঞা সংবাদদাতা
ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ জগতপুর এলাকায় ফেনী ছোট নদীর অব্যাহত ভাঙনে অন্তত ৪০টি পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রতিদিনই নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতঘর, ফসলি জমি ও গাছপালা। এতে করে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমকে ঘিরে শঙ্কা আরও বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দক্ষিণ জগতপুর ও তালতলী বাজার সংলগ্ন এলাকা ফেনী ছোট নদীর অব্যবস্থাপনায় ধীরে ধীরে নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। নদীর পানির চাপ এবং গতিবেগ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই নদীপাড় ভাঙছে। এতে করে দক্ষিণ জগতপুর, বাতাকোনা ও আশপাশের গ্রামগুলোর অনেক ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে।
বিশেষ করে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে মুছাপুর সুইচগেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু না হয়, তাহলে বর্ষা মৌসুমে এই এলাকায় শত শত পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন “আমরা রাতভর ঘুমাতে পারি না। প্রতি মুহূর্তে নদীর পানি ঘরে ঢুকে পড়ে কিনা সেই চিন্তায় থাকি। এক মাসে আমার চার বিঘা জমি নদীতে গেছে।”
স্থানীয়দের একটাই দাবি—বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই যেন মুছাপুর সুইচগেটের কাজ শুরু হয় এবং নদীতীর রক্ষা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা দাবি করেছেন, স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিদের অবিলম্বে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে