রাসেল আহমেদ,খুলনা
খুলনার তেরখাদা উপজেলায় উন্মুক্ত খাস ডাকে ইখড়ি গো-হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে একই আয়োজনে উপজেলার অন্যান্য হাটের খাস ডাকে প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ খাস ডাক কার্যক্রমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তাহমিনা সুলতানা নীলা’র সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শিউলি মজুমদার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সাইদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অতীশ সরদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হাই, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, ইকরাম হোসেন জমাদ্দার, সরদার আব্দুল মান্নান, সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, মোঃ রবিউল হোসেন, মিল্টন হোসেন মুন্সী, আবুল হোসেন বাবু, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈয়দ তালহা আশরাফ এবং তেরখাদা থানার ওসির প্রতিনিধি এসআই তাপস বিশ্বাসসহ অনেকে।
খাস ডাক চলাকালে ইখড়ি গো-হাট ইজারার জন্য একাধিক দরদাতা অংশ নেন। প্রকাশ্যে দর আহ্বান ও যাচাই শেষে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে হাটটি ইজারা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলার বাকি হাটগুলোর খাস ডাকে কোনো দরদাতা অংশ না নেওয়ায় সেগুলোর ইজারা কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তাহমিনা সুলতানা নীলা বলেন, প্রতিযোগিতামূলক দর নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ইখড়ি গো-হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী জানান, বাকি হাটগুলোর জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনরায় খাস ডাক আহ্বান করা হবে।
উল্লেখ্য, খাস ডাককে সফল করতে এর আগে বিভিন্ন ইউনিয়নে মাইকিং এবং হাট-বাজারে প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তবে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় অন্যান্য হাটের খাস ডাক নতুন করে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।