মো: রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলে ঐতিহ্যবাহী বাধাঘাটের নকশায় ছিলো পানির ফোয়ারা অথচ রাতের আঁধারে নির্মিত হল শিবলিঙ্গ।
যেখানে কোন শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব নেই অথচ রাতারাতি
শিবলিঙ্গ এলো কোথা থেকে,প্রশ্ন নড়াইল বাসি'র।
এদিকে,আমেরিকা প্রবাসী নিয়াজ মাহমুদ ভিকু নামের এক প্রবাসী এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই সংগ্রাম ও প্রতিবাদ করে আসছেন এবং মাঝেমধ্যে হুমকি স্বরূপ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দিচ্ছেন। নকশায় ছিলো পানির ফোয়ারা অথচ রাতের আঁধারে নির্মিত হল শিবলিঙ্গ।
ঐতিহাসিক বাধাঘাট বিনোদনমূলক দর্শনার্থীদের একটি সরকারি স্পট,সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও সেখানে কিভাবে শিবলিঙ্গ স্থাপন করা হয়,কেই বা করলো,কেনোই বা করলো। দেখা যায় দর্শনার্থী,স্কুল,
কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্রসহ দর্শনার্থী অভিভাবক'রা তাদের ছোট ছোট শিশু বাচ্চাদের নিয়ে নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী বাধা ঘাটে ঘুরতে আসলে,বাচ্চা'রা তার পিতা মাতার কাছে জানতে চাই,বাবা ওটা কি।
তখন বাচ্চাকে,বাচ্চার বাবা মা কি উত্তর দিবেন,আপনারাই বলেন। দীর্ঘদিনের এ বিষয়টা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়সহ নানাভাবে ট্রল হচ্ছে,নানাভাবে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনাও ঘটছে,ইতিপূর্বে এ বাধাঘাটের শিবলিঙ্গ নিয়ে লেখালেখি করায় এক স্টুডেন্টের নামে থানায় অভিযোগ হয়েছে,পাশাপাশি অনেকেই লেখালেখির কারণে শিবলিঙ্গ কর্তৃপক্ষের হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
দ্রুত নড়াইল জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমাধান আশা করছেন,নড়াইলের সচেতন মহল।