প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৫ মার্চ “ইসলামি ফাউন্ডেশনের কেয়ারটেকার কাইয়ুমের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এলাকাবাসীর, ২৯ মার্চ কেন্দুয়ায় জাকারিয়া ও পাবেল নামের দুই শিক্ষককে চাকরিতে পূর্ণবহালের পাঁয়তারা করছেন কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুম ও ৩১ মার্চ এবং ১ এপ্রিল ” জাল সনদ কেলেঙ্কারি: কেন্দুয়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ” শিরোনামে সংবাদগুলো ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত প্রিন্ট পত্রিকা “দৈনিক স্বদেশ সংবাদ” এবং অনলাইন বাংলা প্রেস মিডিয়ায়” সহ আরও বিভিন্ন মিডিয়া প্রকাশিত সংবাদগুলো ইসলামি ফাউন্ডেশনের সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুম, শিক্ষক মো. জাকারিয়া ও মো. পাবেল মিয়াকে জড়িয়ে প্রকাশিত হয়েছে তা একটি কুচক্রী মহলের দ্বারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন ওই তিনজন।

প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের “মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়)” প্রকল্পের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. পাবেল মিয়া ও মো. জাকারিয়ার বিরুদ্ধে জাল সনদের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা এখনো চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকলেও কিছু গণমাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়।

এছাড়া, কেয়ারটেকার মো. আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে জাল সনদ তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অনুমাননির্ভর বলে দাবি। তদন্ত প্রতিবেদনে “হাতের লেখার মিল” বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যে ধারণা তৈরি করা হয়েছে, সেটি কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ নয় এবং এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত ব্যতীত এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো অনুচিত।

প্রতিবাদে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ তাদের নিয়োগের সময় যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই সনদপত্র জমা দিয়েছেন এবং পরবর্তীতেও কর্তৃপক্ষের নিকট পুনরায় সনদ উপস্থাপন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়। মো. আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে অতীতে চাকরিচ্যুত হওয়া, আর্থিক লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কেও প্রতিবাদে বলা হয়, এসব তথ্য সঠিক নয় যা তার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এছাড়াও গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কেন্দুয়া উপজেলায় যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে কেন্দুয়া উপজেলার সকল শিক্ষকদের সনদ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং ওই তালিকা উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ে রেজুলেশন প্রেরণ করেছিলেন। বর্তমানে কেন্দুয়া উপজেলার সকল শিক্ষকগণ কেন্দ্র পরিচালনা করিতেছেন। সাধারণ কেয়ারটেকার মো. মো. আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে জাল সনদ তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং ভিত্তিহীন সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষকের সনদের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যুক্তিযুক্ত নয়। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে আরও গুরুত্বসহকারে সংবাদ প্রকাশ আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিশেষে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হয় এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নির্দোষ ব্যক্তিদের সম্মান রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিনীত নিবেদক
মো. আব্দুল কাইয়ুম
মো. জাকারিয়া
মো. পাবেল মিয়া
১১/০৪/২৬ ইং।

এ রকম আরো সংবাদ

আমাদের সাথে থাকুন

0FansLike
0SubscribersSubscribe

সর্বশেষ সংবাদ