খুলনা সংবাদদাতা
খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভূজনিয়া–বরইতলা খাল দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানায় ভরাট হয়ে পানিপ্রবাহে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করেছিল। এতে করে স্থানীয় জনজীবন ও কৃষি ব্যবস্থায় ব্যাপক দুর্ভোগ দেখা দেয়। সেচ সংকট, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া এবং মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন এলাকাবাসী।
এমন পরিস্থিতিতে খালটি পরিষ্কারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. মিল্টন হোসেন মুন্সি। কলকাতা আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের নির্দেশনায় তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে খালটি পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেন।
শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকালে ভূজনিয়া–বরইতলা খালে কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এতে এলাকায় সৃষ্টি হয় এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ।
এ সময় বিএনপি নেতা মিল্টন মুন্সিকে সরাসরি খালে নেমে কচুরিপানা অপসারণে শ্রম দিতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তিনি খাল পরিষ্কারের কাজে অংশ নেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
মো. মিল্টন হোসেন মুন্সি বলেন, “ভূজনিয়া–বরইতলা খালটি কচুরিপানায় ভরাট হয়ে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমাদের অভিভাবক এমপি হেলাল ভাইয়ের নির্দেশনায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু নাস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে এবং আমি নিজেও শ্রম দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের জন্য এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।”
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট থাকায় কৃষকদের সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। খাল পরিষ্কারের এই উদ্যোগে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে আসবে এবং কৃষি উৎপাদনসহ জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন