সংবাদ প্রতিবেদন : বাংলা প্রেস মিডিয়া ডেস্ক।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাট থেকে বিএনপির পরীক্ষিত নেত্রী রুনা গাজীকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে জোরালো দাবি জানিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল। রাজনৈতিক বৈরী পরিস্থিতি এবং হামলা-মামলার শিকার হয়েও মাঠে টিকে থাকা এই নেত্রীকে ঘিরে জেলা ও উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে চিতলমারী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক এবং জেলা বিএনপির নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রুনা গাজী। এর আগে তিনি চিতলমারী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও দায়িত্ব পালন করেন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে তিনি ব্যাপক জনসংযোগ চালান। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সক্রিয় উপস্থিতি নতুন প্রজন্মের ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
রুনা গাজীর একটি শক্তিশালী পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। তার স্বামী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক শেখ চিতলমারী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দম্পতি এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন বলে স্থানীয়দের দাবি। মনোনয়নের দাবির বিষয়ে রুনা গাজী জানান, দলের দুঃসময়ে তিনি যেমন মাঠ ছাড়েননি, তেমনি ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চান। সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মূল্যায়ন করা হলে নারীদের স্বাবলম্বী করা এবং এলাকার উন্নয়নে নিজের সর্বোচ্চটুকু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনে নির্বাচন সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আগামী মে মাসের মধ্যেই এই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে বাগেরহাটের মাঠের রাজনীতিতে রুনা গাজীর পক্ষে ব্যাপক জনমত গঠিত হয়েছে।