নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা:
খুলনায় গল্লামারি এলাকায় ভাড়াটিয়া সালেহা বেগম তুলি নামে ব্যক্তি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের বাসিন্দা নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম হাওলাদারের বাসায় ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে মাসিক চুক্তিতে ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ভাড়াটিয়া বাসা ভাড়া, বিদুৎ বিলা পরিশোধ না করে খারাপ আচরণ করে আসছে।
কয়েকমাস পরে পুনরায় ভাড়ার টাকা চাইতে গেলে সুকৌশলে সালেহা বেগম তুলি বাসায় ডেকে পাঠায় পরবর্তীতে ঘর মালিক ভাড়াটিয়ার বাসায় সালেহা বেগম তুলির বাসায় প্রবেশ করলে বাড়ির মালিক আব্দুর রহিম হাওলাদারকে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে স্থানীয় ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহিম হাওলাদার বাদি হয়ে বাসা ভাড়ার টাকা দাবি করে সালেহা বেগম তুলি বেগমকে বিবাদী করে খুলনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ছাড়াও বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী খুলনা আদালতেও মামলা দায়ের করেন। কিন্তু সালেহা বেগম কোন কিছুই তোয়াক্কা না করে ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দায়ের করেন। এতে গল্লামারী দরগা রোডের বাসিন্দারা ধরনের মামলাটি পুনরায় তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
সম্প্রতি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা অস্থায়ীভাবে খুলনার গল্লামারি দরগা রোডে সালেহা বেগম তুলি বাদি হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দারা বলেন, সালেহা বেগমের স্বামী পুলিশের চাকুরি করার সুবাধে বাসার মালিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের ধর্ষণের অভিযোগ তুলে মামলাটি দায়ের করেন। মারপিটের ঘটনা ভিন্নখাতে নিয়ে ধর্ষণের মত মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বর্তমানে খুলনা জেলা কারাগারে জেল হাজতে রয়েছেন। এমনকি তার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে পরিবার সূত্রে জানাগেছে।