
নেত্রকোণা সংবাদদাতা।।
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ইসলামী ফাউন্ডেশনের এক কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নোয়াদিয়া (গন্ডবপুর) গ্রামের বাসিন্দা আরিফ হোসেন বাসুত উপ-পরিচালক ইসলামি ফাউন্ডেশন নেত্রকোণা- এর বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন, অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দুয়া ইসলামী ফাউন্ডেশনের সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুম তার প্রভাব খাটিয়ে জাল সনদের মাধ্যমে দুই ব্যক্তিকে “সহজ কোরআন শিক্ষা” পদে নিয়োগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, ভরাপাড়া গ্রামের পাবেল আহম্মদ ও জাকারিয়াকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পদে কর্মরত রয়েছেন। যা সম্পূর্ণভাবে জালিয়াতি ও প্রতারণার শামিল বলে দাবি করেন অভিযোগকারী। এছাড়াও অভিযুক্ত সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুম অতীতেও দুর্নীতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে অসদাচরণ, হুমকি প্রদান এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসলে তিনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের আগাম সতর্ক করে দেন।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী আরিফ হোসেন বাসুত বলেন, “আমরা এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম দেখে আসছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
ইসলামি ফাউন্ডেশনের অধীনে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের “সহজ কোরআন শিক্ষা” পদে জাল সনদে চাকরি নেয়ায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষক মো. পাবেল মিয়া ও মো. জাকারিয়া বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি কুচক্রী মহল আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মতামত পেশ করেছি এবং চাকরিতে যোগদানের সময় যে সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলাম সেই সার্টিফিকেট আবার জমা দিয়েছি কতৃপক্ষ খুবই আন্তরিক।
অভিযোগের বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত কেয়ারটেকার আব্দুল কাইয়ুমের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন তাল-বাহানা করে কল কেটে দেন।