এস কে আলীম,কপিলমুনি খুলনা।
খুলনার কপিলমুনিতে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী বারুনী স্নান মঙ্গলবার সকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে।
জানাযায়, কোন এক চৈত্র মাসের মধুকৃৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে শতভিষা নক্ষত্রযোগে মহামুনি কপিলদেব কপিলমুনির কপোতাক্ষ ঘাটে সাধনায় মা গঙ্গার সাক্ষাৎ পেয়ে সিদ্ধি লাভ করেন। এ কারণে তাঁর সিদ্ধিলাভের দিনটিকে স্মরণ রাখতে ও নিজেদের পাপ মুক্ত করতে ধর্ম প্রাণ সনাতন ভক্তরা কপোতাক্ষ নদের কপিলমুনি নামক স্থানের কালীবাড়ী ঘাটে ১ হাজার বছর ধরে গঙ্গা স্নান বা বারুণী স্নান করে পুত-পবিত্র হয়ে উৎসব পালন করে আসছেন।
মঙ্গলবার সকাল ৫ টা ৫৪ মিনিটে শতভিষা নক্ষত্র যোগে কালীবাড়ীর কপোতাক্ষ ঘাটে শুরু হবে স্নান, আর সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে স্নান শেষ হবে।
সনাতনী ভক্তদের মতে, মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে গঙ্গার পবিত্র জল এই স্থানে প্রবাহিত হয়। বরুণ জলের দেবতা, বরুণের স্ত্রী বারুণী, বারুণীর আর এক নাম গঙ্গা। তাই বারুণী ¯স্নান মানেই গঙ্গা ¯ স্নান। অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে তাই আয়োজক কমিটি এবারও মহা বারুণীর পূণ্য স্নানের অয়োজন করেছে। তবে এবছর -স্নান হলে পক্ষকাল ব্যাপী বারুণী মেলা বসছে না।
কপিলমুনি কালী মন্দিরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শ্রী চম্পক কুমার পাল বলেন, ‘কালী বাড়ী ঘাটে প্রতি বছরের মতো এবারও স্নানের আয়োজন করা হয়েছে। শ্বতঃস্ফুর্তভাবে ভক্তরা স্নানে অংশ নিবেন। ¯ স্নান বিগত ১ হাজার বছর ধরে হয়ে আসছে। সুষ্ঠুভাবে স্নান কার্য সম্পন্ন করার জন্য রাজনৈকিত ব্যক্তি বর্গ ও প্রশাসনের সহযোগীতা চাই’।
এ বিষয়ে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, “পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছি, আমাদের সহযোগীতার কোন কমতি থাকবে না।”