
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা)
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভাকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতি এবং ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নির্বাচনী আলোচনা। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী কারা হতে পারেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে ব্যাপক আলোচনা। বিভিন্ন নামের পাশাপাশি এখন আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে উপজেলার পরিচিত মুখ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের টেঙ্গুরী গ্রামের বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনের নাম।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল এবং পৌর এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন ইতোমধ্যেই মাঠপর্যায়ে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহযোগিতা করা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি অনেকের কাছে একজন সম্ভাবনাময় জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
কেন্দুয়া উপজেলা এবং পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন আড্ডাস্থলে এখন স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চলছে সরব আলোচনা। পৌরসভার মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আলোচনায় বারবার উঠে আসছে টেঙ্গুরীর জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনের নাম। অনেকেই মনে করছেন, জনসম্পৃক্ততা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে তিনি মেয়র পদে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন।
পৌর এলাকার সচেতন নাগরিকগণ জানান, স্থানীয় উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে একজন কর্মঠ ও জনগণের কাছাকাছি থাকা জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। তাদের মতে, খোকন দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকেছেন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে তাকে এগিয়ে আসতে দেখা গেছে। এ কারণে পৌরবাসী তাঁকে মেয়র পদে দেখতে আগ্রহী।
এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “ জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি সব সময় মানুষের পাশে থাকেন। এলাকায় কোনো সমস্যা হলে তাঁকে সবার আগে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। তাই অনেকেই তাঁকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাইছেন।” তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হলে দল-মত নির্বিশেষে পৌরবাসী তাঁকেই বেঁচে নিবে।
এ বিষয়ে জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং যতদিন বেঁচে থাকবো তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। মানুষের ভালোবাসা এবং সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি পৌরবাসী আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার মতো মনে করেন, তাহলে আমি তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব।”
সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা মনে করছেন, পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে এখন থেকেই যেসব নাম আলোচনায় আসছে, তার মধ্যে জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনের নাম দ্রুতই মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, এর পেছনে তার সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বড় ভূমিকা রাখছে বলে তারা মনে করেন।
তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা বাড়তে পারে এবং রাজনৈতিক সমীকরণেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবুও বর্তমান সময়ে কেন্দুয়া পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে টেঙ্গুরীর খোকনের নাম অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে উঠে এসেছে।
এদিকে পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও এখন থেকেই নির্বাচনী আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এসব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বর্তমানে অবস্থান করছেন টেঙ্গুরীর খোকন, যাঁকে নিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।