
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা)
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ৩নং দলপা ইউনিয়নের জল্লী গ্রামের দু’পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সংবদ্ধ হামলায় দুইজন গুরুতর আহত সহ বসতঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ মো. হাবলু মিয়া, হাবিবুর রহমান, ফজু মিয়া, কমল মিয়া ও আরজু মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৬ মার্চ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র, বল্লম, রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংবদ্ধভাবে ভুক্তভোগী বিল্লালের বাড়ির উঠোনে প্রবেশ করে তাদের বাড়িঘর ও লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় হাবলু মিয়ার বল্লমের আঘাতে সাহিম উদ্দিন নামের একজন আহত হয়। সাথে সাথে অন্যান্য অভিযুক্তরা বিল্লালের ওপর হামলা করে তাকেও আহত করে। আহতদের ডাক চিৎকারে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ৯ মার্চ সন্ধ্যার দিকে অর্থাৎ পূর্ব ঘটনার তিনদিন পর অভিযুক্তরা আবার সংবদ্ধ হয়ে বিল্লালের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। তারা হামলা করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বিল্লালের ঘরের ধান-চাল, আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ছোটছোট গাছপালা কেটে ফেলে যায়। এতে বিল্লালের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন বলেন, হামলাকারীদের হুমকির কারণে আমরা আমাদের পরিবার নিয়ে নিজ বসতবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি।
অভিযুক্ত মো. হাবলু মিয়া বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে বিল্লাল হোসেন যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বরং বিল্লাল তাদের লোকজনদের নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেছে তাদের আঘাতে আমাদের পক্ষের হাবিবুর রহমান নামের একজন গুরুতর আহত হয়েছে। আর আমরা তাদের বাড়িঘরে থাকতে বাধানিষেধ করেছি এটা প্রশ্নই আসে না।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী মাকসুদ বলেন, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।