
সোহেল রানা বাবু, বাগেরহাট
মোংলায় মাদ্রসা,হেফজখানা ও এতিম খানার পাশে সরকার অনুমোদিত দেশী মদের দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে দরজায় ওয়েল্ডিং করে মদ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে ক্ষুব্দ মুসুল্লিরা।
শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারী) জুমার নামাজ শেষে মাদ্রাসা সড়ক সংলগ্ন আলিয়া মাদ্রাসা মসজিদের অপর পাশে অবস্থিত মদের দোকানে তালা লাগিয়ে ওয়েল্ডিং করে দরজা আটকিয়ে দেয় মসজিদের মুসুল্লিরা ।মোংলা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও মাদ্রাসা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন ও মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে শতাধিক মুসল্লী এসময় মিছিল সহকারে মদের দোকানের সামনে উপস্থিত হয়। পরে ওয়েল্ডিং মেশিন এনে উপস্থিত মুসল্লিরা তালাগুলো ওয়েল্ডিং করে আটকিয়ে দেয়। ওই সময় মদের দোকানটি বন্ধ ছিলো।
মোংলা আলিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ খান জানান,সরকার অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলিয়া মাদ্রাসা, হেফজখানা ও একটি এতিমখানা ও মসজিদের পাশে প্রতিনিয়ত দিনে রাতে বিক্রি হয় দেশীয় বাংলা মদ। পবিত্র রমজান মাসেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এখানে বিক্রি হচ্ছে মদ। এতে করে শিক্ষার্থী ও মুসল্লিরা মাতালদের কাছে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
মাদ্রাসা জামে মসজিদের সদস্য কামাল উদ্দিন জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিভাবে দিনে—রাতে মদ বিক্রির অনুমতি দেয় সরকার এতে আমরা হতবাক। দীর্ঘদিন এখান থেকে মদের দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হলেও সরানো হয়নি। এমনকি রমজানেও মদের দোকানীরা সব সময় মদ বিক্রি করছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। একই সাথে শিশু,কিশোর ও যুব সমাজ নেশায় আসক্ত হচ্ছে। তাই আজ জুমার নামাজ শেষে মাদ্রাসা মসজিদের সকল মুসল্লিরা এক সাথ হয়ে মদের দোকানটিতে তালা ঝুলিয়ে ওয়েল্ডিং করে দিয়েছি।
মদের দোকানে পরিচালক গোলাম সরোয়ার জানান, যে শর্তে সরকার তাদের অনুমতি দিয়েছেন, তারা নিয়ম-নীতি মেনে বিক্রি করছেন মদ। আর কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।।