মো: রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলের দুটি আসনে জামানত হারালেন ১১ প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের ২টি আসনের ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুাযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগ ভোট না পেয়ে তারা জামানত হারিয়েছেন। সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. আব্দুল ছালামের স্বাক্ষরিত ভোটের ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নড়াইল-১ আসনে ৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আজীজ পেয়েছেন ৬৩৫২ ভোট। জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মো. মিল্টন মোল্যা পেয়েছেন ৪৬১ ভোট। কলস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বি এম নাগীব হোসেন পেয়েছেন ১১১৩ ভোট। ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম সাজ্জাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৯৮ ভোট। হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. উজ্জ্বল মোল্যা পেয়েছেন ২৩০ ভোট। ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুকেশ সাহা আনন্দ পেয়েছেন ৮৬৪ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ কায়সার ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট পেয়ছেন।
নড়াইল-২ আসনে ৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আসনটিতে জামানত হারিয়েছেন— জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ তিনি পেয়েছেন ৬৮৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ৭২৯ ভোট।
গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম পেয়েছেন ৩৩৯ ভোট। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো. শোয়েব আলি পেয়েছেন ২২০ ভোট। জাহাজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন ২১৯ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এ আসনটিতে ১১ দলীয় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কলস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট।