
উমর ফারুক পঞ্চগড় জেলা সংবাদদাতা।।
আসন্ন ত্রিয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার ,মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ শনিবার মনোনয়ন যাচাই-বাচাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান , রাশেদ প্রধানসহ দুই আসনে মোট ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন ।
এর মধ্যে পঞ্চগড় ১ ও ২ আসনে আসন ত্রুটি থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার প্রার্থী রাশেদ প্রধানের ।
এছাড়াও ২ আসনে মনোনয় বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী রহিমুল ইসলাম বুলবুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন সুমন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রার্থী রেজাউল ইসলাম, জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান রিপন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আশরাফুল আলম।
জানা গগেছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১৯ জন । পঞ্চগড় ১ আসনে ৮ জন ও ২ আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন , এরমধ্যে ১ আসনে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির পঞ্চগড়-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের হয়ে শাপলা কলির পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপির পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা, গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী মাহাফুজার রহমান, বাংলাদেম জাসদের নাজমুল হক প্রধান।
পঞ্চগড়-২ আসনে ১১ জনের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন- বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয় সম্পাদক ও বিএনপির পঞ্চগড়-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জামায়াতে ইসলামীর পঞ্চগড়-২ আসনের দাড়ি পাল্লার প্রার্থী সফিউল আলম, ইসলামী আন্দোলনের পঞ্চগড়-২ আসনের হাত পাথার প্রার্থী কামরুল হাসান প্রধান, বাংলাদেশ জাসদের এমরান আল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ের দুইটি আসনে ১৯ জনের মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকি ৭ জনের মনোনয়নপত্র ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ হবে। এর পর থেকে তারা তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এদিকে সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।