
কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) সংবাদদাতা।।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া–আটপাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের তালিকা ও সাক্ষর যাচাইকালে প্রতিপক্ষের সমর্থকদের হামলায় দুজন আহতের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার ৩১ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বলাইশিমুল ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান ও মাইজপাড়া গ্রামের আবুল কালাম।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার ২৯ ডিসেম্বর শেষদিনে নেত্রকোণা-৩ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়াসহ ছয়জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন, তাঁদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেন নির্বাচন কমিশন।
ভোটার তালিকা ও সাক্ষর যাচাই করতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলাইশিমুল ইউনিয়ন পরিষদে যান। সেখানে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকগণও উপস্থিত হলে দু’পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হলে তাদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর দু’জন কর্মী আহত হন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী আহত আনিসুর রহমান জানান, ইউপি কার্যালয়ে বেশি লোকজন দেখে বিষয়টি জানতে চাইলে ও-ই পক্ষের তোফাজ্জল হোসেন, মাজেদুল, পারভেজসহ ১০ থেকে ১২ জন আমাদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেন হামলার অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, হামলার বিষয়ে আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকগণ তুলছেন তা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। দু’পক্ষের মধ্যে কিছু কথা-কাটাকাটি হয়েছে, হামলার কোন ঘটনাই ঘটেনি।
বিষয়টি জানতে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ভোটার তালিকা যাচাই কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. রিফাতুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, যদি এরকমটা হয়ে থাকে তবে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নায়া হবে।